শিরোনাম
লালমনিরহাটে ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেলো মাদরাসা ছাত্রের মিঠাপুকুরে মসজিদ নির্মাণে ‘জয় হোক মানবতার ফাউন্ডেশন’-এর সহায়তা জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’ নির্বাচন না হলে জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে : মির্জা ফখরুল ‘মঞ্চ ৭১’ সংগঠনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সরকারকে ৭ দিনের আলটিমেটাম দিলো ‘মঞ্চ ২৪’ এবার বিএনপির ২৪ নেতাকর্মী একযোগে জামায়াতে যোগ দিলেন কঠিন হচ্ছে এনআইডি কার্ডের আবেদন প্রক্রিয়া, সহজে হবে সংশোধন আর্জেন্টিনায় মেসির শেষ ম্যাচের স্কোয়াড ঘোষণা স্কালোনির সাত বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ ৬০ বছরের বৃদ্ধের বিরুদ্ধে মাইকে আজানের বিরোধিতাকারী ও বিএনপি নেতা হত্যা মামলার আসামির বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার
শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫, ০৫:০৯ অপরাহ্ন

স্বাস্থ্য উপদেষ্টা হতে চিকিৎসকের ২০০ কোটি টাকা ঘুষ, দুদকের অভিযানে মিলেছে সত্যতা

ডেস্ক রিপোর্ট / ২২৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫

স্বাস্থ্য উপদেষ্টা হওয়ার প্রলোভনে ২০০ কোটি টাকার চেক হস্তান্তরসহ ঘুষ লেনদেনের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের (এনআইসিআরএইচ) সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. শেখ গোলাম মোস্তফা।

বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে একটি বিশেষ টিম অভিযোগের বিষয়ে অভিযান পরিচালনা করে।

দুদকের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম বলেন, অভিযোগে ডা. মোস্তফার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং অসাধু উপায়ে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদ লাভের চেষ্টা করার প্রমাণ পাওয়া গেছে। অভিযানে সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে বিভিন্ন রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করা হয়, যা বিশ্লেষণ শেষে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা মিলেছে। তিনি জানান, অতিরিক্ত রেকর্ডপত্র সংগ্রহের কার্যক্রম চলছে এবং সব তথ্য যাচাই শেষে কমিশনের কাছে বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে স্বাস্থ্য উপদেষ্টার পদ পাওয়ার আশায় ডা. মোস্তফা একজন সমন্বয়ক গ্রুপকে ১০ লাখ টাকা নগদ এবং ২০০ কোটি টাকার চারটি চেক দেন। মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেন আরিফুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি, যিনি নিজেকে সমন্বয়ক আরেফিনের ভাই পরিচয় দেন। তিনি সরাসরি ডা. মোস্তফার চেম্বার থেকে চেকগুলো সংগ্রহ করেন।

সামাজিক মাধ্যমে এই ঘটনাটি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই এটিকে স্বাস্থ্য খাতের দুর্নীতির চাঞ্চল্যকর উদাহরণ হিসেবে দেখছেন।

তবে অধ্যাপক ডা. শেখ গোলাম মোস্তফা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি গণমাধ্যমে দাবি করেছেন, “আমাকে উপদেষ্টা বানানোর মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে জোরপূর্বক চেকে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে। এগুলো ছিল সিকিউরিটি চেক। যে দিন তারা আমার অফিসে আসে, তখন তাদের দু’জনের হাতে অস্ত্র ছিল।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ