শিরোনাম
লালমনিরহাটে ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেলো মাদরাসা ছাত্রের মিঠাপুকুরে মসজিদ নির্মাণে ‘জয় হোক মানবতার ফাউন্ডেশন’-এর সহায়তা জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’ নির্বাচন না হলে জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে : মির্জা ফখরুল ‘মঞ্চ ৭১’ সংগঠনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সরকারকে ৭ দিনের আলটিমেটাম দিলো ‘মঞ্চ ২৪’ এবার বিএনপির ২৪ নেতাকর্মী একযোগে জামায়াতে যোগ দিলেন কঠিন হচ্ছে এনআইডি কার্ডের আবেদন প্রক্রিয়া, সহজে হবে সংশোধন আর্জেন্টিনায় মেসির শেষ ম্যাচের স্কোয়াড ঘোষণা স্কালোনির সাত বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ ৬০ বছরের বৃদ্ধের বিরুদ্ধে মাইকে আজানের বিরোধিতাকারী ও বিএনপি নেতা হত্যা মামলার আসামির বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার
শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫, ০৫:০৮ অপরাহ্ন

গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, বিচার হবে ট্রাইব্যুনালে

ডেস্ক রিপোর্ট / ৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫

গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ। এতে গুম করার অপরাধে মৃত্যুদণ্ডসহ কঠোর শাস্তির বিধান প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া, গুম-সংক্রান্ত বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন এবং অভিযোগ গঠনের ১২০ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্নের বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে খসড়া অধ্যাদেশে।

বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অধ্যাদেশটির খসড়া নীতিগত অনুমোদন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।

উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, গতকাল কেবল নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদন পাওয়া খসড়া অধ্যাদেশটি নিয়ে আরো আলোচনা হবে, এরপর খসড়াটি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য আবারও উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে তোলা হবে।

শফিকুল আলম বলেন—গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশের খসড়ায় গুমকে সংজ্ঞাসহ চলমান অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করে মৃত্যুদণ্ডসহ কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। গোপন আটক কেন্দ্র স্থাপন বা ব্যবহারকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে গুমসংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষাসংক্রান্ত বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন, অভিযোগ গঠনের ১২০ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্নের বাধ্যবাধকতা, ভুক্তভোগী, তথ্য প্রদানকারী ও সাক্ষীর অধিকার সুরক্ষা, ভুক্তভোগীর ক্ষতিপূরণ ও আইনগত সহায়তার নিশ্চয়তার বিধানও রাখা হয়েছে প্রস্তাবিত অধ্যাদেশে।

প্রেস সচিব জানান, ‘গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর খসড়ার বিষয়ে গুম-সংক্রান্ত কমিশনের মতামতের ভিত্তিতে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড সার্ভিসেস ব্লাস্ট, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এবং অন্যান্য মানবাধিকার প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা থেকে প্রাপ্ত মতামত বিবেচনায় নিয়ে এবং আইন ও বিচার বিভাগ কর্তৃক দুটি মতবিনিময় সভা থেকে প্রাপ্ত মতামত ও পরামর্শ পর্যালোচনা করে খসড়া পরিমার্জন করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ